স্বদেশসময় টোয়েন্টিফোর ডটকম:

আমু বলেন, তৈরি পোশাক শিল্প নারীর ক্ষমতায়নের অন্যতম চালিকা শক্তি। নারীরা তাদের মেধা ও মননশীলতার প্রকাশ ঘটিয়ে উৎকর্ষতা বৃদ্ধি করছে। এর মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত হয়েছে । সরকারি পৃষ্টপোষকতা, উদ্যোক্তাদের দক্ষতা ও মনোবলের কারণে বিশ্বমন্দার মাঝেও বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পখাতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি বলেন’। বর্তমানে দেশের গার্মেন্ট শিল্প কারখানাগুলোতে ৪০ লাখেরও বেশি শ্রমিক কাজ করছে। এরমধ্যে শতকরা ৮০ ভাগ নারী এ কথা উল্লেখ করেন তিনি বলেন, ২০২১ সালে এ শিল্পখাতে ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় বর্তমান সরকার কাজ করছে।’


স্বাগত বক্তৃতা করেন এসএমই’র মহা ব্যবস্থাপক শাহীন আনোয়ার।
দ্বিতীয়বারের মতো এ পোশাক প্রদর্শনীতে দেশের বিভিন্নস্থান থেকে ৪১ জন উদ্যোক্তা তাদের উৎপাদিত পণ্য প্রদর্শনী করেন। প্রতিদিন সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত এটি চলবে।
উল্লেখ্য, শিল্পমন্ত্রণালয়ের অঅওতাধীন প্রতিষ্ঠান এসএমই ফাউন্ডেশন এসএমই পোশাক ডিজাইনারদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে।
দ্বিতীয়বারের মতো এ পোশাক প্রদর্শনীতে দেশের বিভিন্নস্থান থেকে ৪১ জন উদ্যোক্তা তাদের উৎপাদিত পণ্য প্রদর্শনী করেন। প্রতিদিন সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত এটি চলবে।
উল্লেখ্য, শিল্পমন্ত্রণালয়ের অঅওতাধীন প্রতিষ্ঠান এসএমই ফাউন্ডেশন এসএমই পোশাক ডিজাইনারদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে।
ফ্যাশান ডিজাইনার সাইফুল ইসলাম সাইফ বলেন ক্ষুদ্র এবং মাঝারী শিল্পের বিকাশে এবং মান উন্নয়নে সলিট একটি গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে থাকে। দেশের ক্ষুদ্র এবং মাঝারী শিল্প যাতে দেশের দারিদ্র্যতা নিরসনে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে বড় অবদান রাখতে পারে ফ্যাশান।